মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১ ১৯শে শ্রাবণ ১৪২৮
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডব, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
প্রকাশ: ০১:৪০ pm ১১-০৪-২০২১ হালনাগাদ: ০১:৪৯ pm ১১-০৪-২০২১
 
 
 


ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকানি (হকার) এখন অনেকটাই কম। খালিচোখে মনে হতে পারে, লকডাউনের আদলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকায় শহরে হকারের সংখ্যা কমে গেছে। প্রশাসনের ভয়ে কিংবা কম বিক্রির চিন্তা থেকে হয়তো তারা দোকান নিয়ে বসতে চাইছেন না।

তবে হেফাজতের তাণ্ডবের সময় বিশেষ করে ২৮ মার্চ হরতালের দিন তাণ্ডবে অনেক হকার অংশ নিয়েছিলেন। আর ওই হকাররা এখন ‘খোলস’ পাল্টিয়ে নিজেদেরকে বাঁচানোর চেষ্টায় ব্যস্ত। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, বিক্ষুব্ধ হরতালকারীরা জেলা পরিষদ, পৌরসভা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কুল, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন ও ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে। ট্রেনে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।

এসময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ্বরোড মোড়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং রাস্তায় ব্যারিকেড ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতের নেতা-কর্মীরা।

এছাড়াও বড়তলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভাঙচুরের সময় প্রেসক্লাব সভাপতি রিয়াদ উদ্দীন জামিরের ওপর হামলা করলে তিনি আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙচুর এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের বাড়ি ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেলের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর করে হেফাজতের নেতা-কর্মীরা।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার বলেন, ‘হরতালের নামে হেফাজত ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে। সরকারি ও বেসরকারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। হামলাগুলো গভীর ষড়যন্ত্র। হামলা প্রতিরোধে প্রশাসনসহ সবাই নীরব রয়েছে।’

 

 

 

 
 

আরও খবর

 
 
 
 
 
 
 
 
©newsofbd24.com